আস্থা একাডেমিপ্রধান নির্বাহীর কিছু কথা
স্বপ্ন, সাহস আর আস্থার এক অনন্য যাত্রা
বিখ্যাত উদ্যোক্তা স্টিভ জবস একবার বলেছিলেন— "যাঁরা বিশ্বাস করে যে তারা পৃথিবীকে বদলে দিতে পারে, আদতে তাঁরাই পৃথিবীকে বদলে দেয়।" চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়াশোনা শেষ করার পর যখন বিসিএস-এর মাধ্যমে দেশ সেবার স্বপ্ন দেখে আসতেছি, তখন আমার ভেতরে আরেকটি অদম্য নেশা কাজ করেছে — তা হলো শিক্ষকতা।
আমি অনুভব করেছি, কেবল মুখস্থ বিদ্যা আর 'জিপিএ-৫' এর প্রতিযোগিতায় মত্ত হয়ে আমরা অনেক সময় আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের মৌলিক সৃজনশীলতাকে হারিয়ে ফেলছি। বিখ্যাত শিক্ষাবিদ স্যার "কেন রবিনসন" যেমনটি মনে করতেন, শিক্ষা হওয়া উচিত নতুন কিছু সৃষ্টি করার প্রেরণা, কেবল তথ্য জমা করার যন্ত্র নয়।
সেই তাড়না থেকেই ২০১৫ সালে আমার শিক্ষকতা জীবনের শুরু। দীর্ঘ ১০ বছরের অভিজ্ঞতা এবং একটি স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠানে ৪ বছর শিক্ষকতা করার পর আমি উপলব্ধি করেছি যে, একজন শিক্ষার্থীর মেধার পূর্ণ বিকাশের জন্য প্রয়োজন একটি 'আস্থাশীল পরিবেশ' ও সঠিক মেন্টরশীপ। সেই বিশ্বাস থেকেই ২০২৫ সালের ১লা জানুয়ারি আল্লাহর অশেষ রহমতে যাত্রা শুরু করে— 'আস্থা একাডেমি'।
আমাদের দর্শন:
আমি বিশ্বাস করি, একটি বীজের অঙ্কুরোদগম যদি সঠিক ও শক্তিশালী হয়, তবেই সেই গাছ থেকে ফুল ও ফল পাওয়ার অপার সম্ভাবনা তৈরি হয়। তাই আমরা গতানুগতিক বইয়ের পাতার সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে বাস্তব ও বর্তমান প্রেক্ষাপট নির্ভর শিক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের স্বপ্নের বীজ বপন করি।
আমাদের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য (Vision & Mission):

সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে বিস্তারিত জানা প্রয়োজন। গতানুগতিক শিক্ষার বাইরে আমরা কীভাবে শিক্ষার্থীদের গড়ে তুলছি—এই সেকশনে তার উত্তর পাবেন।
আমাদের মূল লক্ষ্য হলো মুখস্থ ও কেবল জিপিএ-৫ কেন্দ্রিক শিক্ষা থেকে বের হয়ে শিক্ষার্থীদের বাস্তব ও জীবনমুখী শিক্ষা প্রদান করা। প্রতিটি শিক্ষার্থীর মেধার সঠিক বিকাশ ঘটিয়ে তাদের স্বপ্নের পথে এগিয়ে নিতে আমরা কাজ করি।
আমাদের একাডেমির প্রধান নির্বাহী রাসেল মাহমুদ—যার রয়েছে ১০ বছরের শিক্ষকতা ও মেন্টরশিপ অভিজ্ঞতা। তার সরাসরি তত্ত্বাবধানে দক্ষ ও নিবেদিতপ্রাণ শিক্ষকরা পাঠদান করেন।
বই এক হলেও আমাদের উপস্থাপনা ভিন্ন। আমরা মুখস্থের পরিবর্তে উপলব্ধির ওপর জোর দিই। প্রতিটি বিষয় গল্পের মতো করে শেখানো হয়, যা দীর্ঘমেয়াদি মেধা বিকাশ নিশ্চিত করে।
৩য় থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত একাডেমিক পড়াশোনা হয়। পাশাপাশি পিএসসি, জেএসসি, এসএসসি, এইচএসসি ও এডমিশনের জন্য স্পেশাল চ্যালেঞ্জিং ব্যাচ রয়েছে।
অবশ্যই। দুর্বল শিক্ষার্থীদের জন্য নিয়মিত সাপোর্ট ক্লাস এবং ওয়ান-টু-ওয়ান কাউন্সিলিংয়ের ব্যবস্থা রয়েছে।
নিয়মিত ক্লাস টেস্ট, সাপ্তাহিক পরীক্ষা এবং অধ্যায়ভিত্তিক মূল্যায়ন পরীক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থীর অগ্রগতি যাচাই করা হয়।
নিয়মিত প্যারেন্টস মিটিং আয়োজন করা হয় এবং ডিজিটাল/সরাসরি মাধ্যমে শিক্ষার্থীর উপস্থিতি ও ফলাফল জানানো হয়।
“প্রস্তুতি হোক আস্থার সাথে, এগিয়ে চলুন সাফল্যের পথে”— আত্মবিশ্বাসই সাফল্যের প্রথম ধাপ। আমরা সেই আত্মবিশ্বাস গড়ে তুলি।
পড়ালেখার পাশাপাশি নৈতিকতা, সময়ানুবর্তিতা ও দেশপ্রেম বিষয়ে শিক্ষার্থীদের নিয়মিত উদ্বুদ্ধ করা হয়।
সরাসরি একাডেমিতে এসে অথবা ওয়েবসাইটের ভর্তি ফরম পূরণ করে আবেদন করতে পারেন। আমাদের প্রতিনিধি দ্রুত যোগাযোগ করবে।
হেল্পলাইন: ০১৬১০ ৭৮ ৭৬ ৭৯
ই-মেইল: asthaacademy032@gmail.com
Facebook: @আস্থা একাডেমি - Astha Academy
আমাদের কোর্সসমূহ দেখুন" বা "ভর্তি সংক্রান্ত তথ্যের জন্য যোগাযোগ করুন"।